بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
ইসলামী জীবনব্যবস্থায় বক্তব্য বা ওয়াজ-নসীহত
উপস্থাপনের নীতিমালা
📚 গবেষণা সিরিজ-২৯
📖
গবেষণা সিরিজ-২৯
ইসলামী জীবনব্যবস্থায় বক্তব্য বা ওয়াজ-নসীহত
উপস্থাপনের নীতিমালা
📚 গবেষণামূলক পুস্তিকা
মূল বিষয়
বইয়ের সারসংক্ষেপ
ইসলামী জীবনব্যবস্থায় কুরআন ও সুন্নাহর বক্তব্য উপস্থাপন করা, সেটি মানুষকে গ্রহণ করানোর চেষ্টা করা এবং সে অনুযায়ী মানুষকে আমল করার জন্য আকৃষ্ট করা একটি মৌলিক, ফরজ বা বাধ্যতামূলক বিষয়। এটিকে ইসলামী পরিভাষায় দাওয়াতী কাজ বলা হয়। আর এ কাজ যিনি করেন তাকে দাঈ বলে। দাওয়াতী কাজ বাধ্যতামূলক করার মূল কারণ হলো- না জানার জন্য পরিপূর্ণভাবে ইসলাম মানতে না পারা মানুষের সংখ্যা পৃথিবীতে কমিয়ে আনা।
কারণ, যে একটি বিষয় জানে না সেটি অমান্য করার জন্য তাকে শাস্তি দেওয়া ন্যায়বিচার নয়। আর পরকালে মহান আল্লাহ সকল মানুষকে দুনিয়ার কর্মের ভিত্তিতে যে পুরস্কার বা শাস্তি দেবেন সেটি সবচেয়ে বড়ো ন্যায়বিচার হবে।
দাওয়াতী কাজ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো- বক্তব্য বা ওয়াজ-নসীহতের মাধ্যমে ইসলামের তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছানো। এ কাজটি মুসলিম বিশ্বে আগের তুলনায় বর্তমানে অনেক বেশি হচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে কুরআন ও সুন্নাহর নিষিদ্ধ কাজ করা মুসলিমের সংখ্যাও আগের তুলনায় অনেক বেশি। কেন এমনটি হচ্ছে তা সকল চিন্তাশীল মুসলিমকে বিশেষভাবে ভাবতে হবে এবং প্রতিকারের ব্যবস্থা নিতে হবে।
কারণ, যে একটি বিষয় জানে না সেটি অমান্য করার জন্য তাকে শাস্তি দেওয়া ন্যায়বিচার নয়। আর পরকালে মহান আল্লাহ সকল মানুষকে দুনিয়ার কর্মের ভিত্তিতে যে পুরস্কার বা শাস্তি দেবেন সেটি সবচেয়ে বড়ো ন্যায়বিচার হবে।
দাওয়াতী কাজ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো- বক্তব্য বা ওয়াজ-নসীহতের মাধ্যমে ইসলামের তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছানো। এ কাজটি মুসলিম বিশ্বে আগের তুলনায় বর্তমানে অনেক বেশি হচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে কুরআন ও সুন্নাহর নিষিদ্ধ কাজ করা মুসলিমের সংখ্যাও আগের তুলনায় অনেক বেশি। কেন এমনটি হচ্ছে তা সকল চিন্তাশীল মুসলিমকে বিশেষভাবে ভাবতে হবে এবং প্রতিকারের ব্যবস্থা নিতে হবে।
❝ জ্ঞানই আলো — সত্যের পথে চলুন, আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করুন ❞