بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
যুক্তিসংগত ও কল্যাণকর আইন
কোনটি এবং কেন?
📚 গবেষণা সিরিজ-১১
📖
গবেষণা সিরিজ-১১
যুক্তিসংগত ও কল্যাণকর আইন
কোনটি এবং কেন?
📚 গবেষণামূলক পুস্তিকা
মূল বিষয়
বইয়ের সারসংক্ষেপ
আইন হলো মানুষের জীবনকে সুখী, সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল করার বিধি-বিধান। বর্তমান বিশ্ব মানবতার সামনে দুই ধরনের আইন রয়েছে- মানব রচিত আইন ও কুরআনের আইন। আর ২/১টি বাদে পৃথিবীর সকল দেশে মানব রচিত আইনই চালু আছে। আর ঐ ২/১টি দেশেও কুরআনের আইন চালু আছে আংশিকভাবে। কোনো দেশে একটি আইন চালু হতে বা থাকতে পারে শুধু তখনই, যখন অধিকাংশ মানুষ ঐ আইনের পক্ষে সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখে। তাই নিশ্চিতভাবে বলা যায়- বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ মেনে নিয়েছে যে, মানব রচিত আইন তাদের জীবনকে শান্তিময় করতে পারবে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মানব রচিত আইন কি মানুষকে শান্তি দিতে পেরেছে? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমরা যদি মানুষকে নানা ধরনের প্রশ্ন করি এবং তার উত্তর পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্তে আসতে চাই তবে তা সম্ভব হবে না। কারণ, শান্তি হচ্ছে একটা আপেক্ষিক বিষয়। একজনের কাছে যেটি শান্তি মনে হবে অন্যজনের কাছে তা অশান্তি মনে হতে পারে। তাছাড়া প্রশ্নমালার ভিত্তিতে মানুষ সার্বিকভাবে শান্তিতে আছে কি না তা পর্যালোচনা করতে হলে জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে অসংখ্য প্রশ্ন অসংখ্যভাবে তৈরি করতে হবে।
তারপর প্রতিটি মানুষের কাছ থেকে সেই অসংখ্য প্রশ্নের মন থেকে দেওয়া উত্তর সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করতে হবে। এটি একটি অসম্ভব ব্যাপার। তাই একটি আইন মেনে মানুষ সার্বিকভাবে শান্তিতে থাকবে কি না বা শান্তি পাবে কি না, তা পর্যালোচনা করার সর্বোত্তম উপায় হলো- ঐ আইনকে কিছু মানদণ্ডের (Standard) ভিত্তিতে যাচাই করা। মানদণ্ডগুলো এমন হতে হবে যেন সকল মানুষের Common sense নির্দ্বিধায় বলে দেয়- একটি আইন মানুষের জীবনকে সুখী, সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল করতে হলে অবশ্যই আইনটিকে ঐ সকল মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে হবে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মানব রচিত আইন কি মানুষকে শান্তি দিতে পেরেছে? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমরা যদি মানুষকে নানা ধরনের প্রশ্ন করি এবং তার উত্তর পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্তে আসতে চাই তবে তা সম্ভব হবে না। কারণ, শান্তি হচ্ছে একটা আপেক্ষিক বিষয়। একজনের কাছে যেটি শান্তি মনে হবে অন্যজনের কাছে তা অশান্তি মনে হতে পারে। তাছাড়া প্রশ্নমালার ভিত্তিতে মানুষ সার্বিকভাবে শান্তিতে আছে কি না তা পর্যালোচনা করতে হলে জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে অসংখ্য প্রশ্ন অসংখ্যভাবে তৈরি করতে হবে।
তারপর প্রতিটি মানুষের কাছ থেকে সেই অসংখ্য প্রশ্নের মন থেকে দেওয়া উত্তর সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করতে হবে। এটি একটি অসম্ভব ব্যাপার। তাই একটি আইন মেনে মানুষ সার্বিকভাবে শান্তিতে থাকবে কি না বা শান্তি পাবে কি না, তা পর্যালোচনা করার সর্বোত্তম উপায় হলো- ঐ আইনকে কিছু মানদণ্ডের (Standard) ভিত্তিতে যাচাই করা। মানদণ্ডগুলো এমন হতে হবে যেন সকল মানুষের Common sense নির্দ্বিধায় বলে দেয়- একটি আইন মানুষের জীবনকে সুখী, সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল করতে হলে অবশ্যই আইনটিকে ঐ সকল মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে হবে।
❝ জ্ঞানই আলো — সত্যের পথে চলুন, আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করুন ❞